4.4.13

BANGLA JOKES


ছেলেপক্ষ গেছে মেয়েপক্ষের

ছেলেপক্ষ গেছে মেয়েপক্ষের বাড়িতে। কথা বার্তার এক
পর্যায়ে ছেলে-
মেয়েকে একান্তে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হল।
মেয়ে: তো, কি সিদ্ধান্ত নিলেন?
ছেলে: সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমার একটা ইচ্ছা আছে।
মেয়ে: কি ইচ্ছা? 
 ছেলে: আপনার সাথে একবার বৃষ্টিতে
ভিজবো। 
মেয়ে: উফফ! আপনি কি রোম্যানটিক!
.
.
.
.. ছেলে: ইয়ে, আসলে ব্যাপার সেইটা না।
.
.
.
.
আপনি যেই পরিমান ময়দা মেখেছেন, বৃষ্টিতে না ভিজলে আপনার আসল
চেহারা দেখা যাবেনা।


 হীরার আংটি

দুই বন্ধু আড্ডা মারছে
তখন ১ম বন্ধু ২য় বন্ধুকে বলছে
১ম বন্ধুঃআরে দোস্ত আমার গার্লফ্রেন্ডের birthday তে আমার
বোনের হীরার আংটি চুরি করে গিফট দিয়া দিছি ২য় বন্ধু ১ম বন্ধুকে থাপ্পড় মেরেবললঃ সালা আমি এত
টাকাদিয়া কিনে দিসিলাম তোর বোনরে ... ১ম বন্ধুঃসালা আমারে মারলি কেন???
>
>
>
>
ওটা তো তোর বাসায় আবার ফেরতচলে গেছে । 


50%

এক খবরের
কাগজে ছাপানো হয়েছে-
50% মেয়েই বোকা হয়!!!!
এই খবর ছাপানোর পর
মেয়েরা খুব নারাজ হয়ে যায়.
তারা একজোট হয়ে পত্রিকা অফিসটি ঘেরাও
করে বিক্ষোভ করে. এরপর দিন ঐ
খবরের
কাগজটিতে ছাপানো হয়-

… … …
… …


… …
… … …


… … 50%মেয়ে বোকা হয় না!!!!!
এই খবর ছাপানোর পর
মেয়েরা শান্ত হয়!!!!‘ ..........



স্বামী মৃত্যুর

স্বামী মৃত্যুর সময় তার জীবনের সকল
অপকর্মের কথা বউএর
কাছে বলে যাচ্ছে।
স্বামী :আলমারি থেকে তোমার স্বর্ণ
গহনা গুলো আমিই চুরি করেছিলাম।
স্ত্রী : বাদ দাও ওসব কথা। .
.
.
.
.
স্বামী :তোমার ভাই আমাকে দুই লাখ
টাকা দিয়েছিল তোমাকে সুখে রাখার
জন্যে।
সেটাও খেয়ে ফেলেছি।
স্ত্রী : আমি তোমাকে মাফ করেদিয়েছি।
.
. .
.
.
স্বামী : তোমার তিলতিল
করে জমানো টাকাও আমি চুরি করেছি,
জুয়া খেলার জন্যে।
স্ত্রী : বললাম তো আমি তোমাকে মাফ
করে দিয়েছি।
আর তুমিও আমাকে মাফ করে দিও কারণ,
.
.
.
.
তোমার খাবারে আমিই বিষ
মিশিয়ে দিয়েছি।



প্যারাসুট খুলে কী করবো


এক লোক আর তার ছেলে তিন হাজার মিটার উচু থেকে লাফ
দিলেন। পিঠে প্যারাসুট বাধা।
লাফ দিয়েই ছেলে বাবাকে জিজ্ঞাসা করলো, আব্বা প্যারাসুট
খুলবো?
বাবা বললেল, নারে ব্যাটা এখনই কী। আরেকটু নামি।
দুইহাজার মিটার এসে ছেলের আবার জিজ্জাসা, আব্বা প্যারাসুট খুলবো?
বাবার একই কথা, না। ধুর এখনই কী?
এভাবে একহাজার, পাঁচশ, দুইশ মিটার এসেও ছেলের প্রশ্ন,
আব্বা খুলব?
বাবা, আরেকটু পর।
প্রায় পঞ্চাশ মিটার বাকী। ছেলে এবার বেশ আতিঙ্কত হয়ে, বাবা। এখন খুলব।
বাবা একগাল হেসে বললেন, আরে বোকা এসেই
তো পড়েছি এখন আর প্যারাসুট খুলে কী করবো?


সোনার চামচ

এক দাওয়াতের
অনুষ্ঠানে এক
বাংলাদেশী ও এক
আমেরিকান খেতে বসেছে। তো সেই
দাওয়াতের অনুষ্ঠানে সোনার চামচ দেয়া হয়েছিল সবাইকে খাওয়ার সময় ব্যবহার করার জন্য। হঠাৎ
আমেরিকানটা খাওয়ার
মাঝখানে খুব সাবধানে নিজের
প্যান্টের পকেটে একটা সোনার চামচ লুকিয়ে ফেললো। শুধু বাংলাদেশীটা এটা দেখল, কিন্তু কিছু
বলল না। খাওয়া শেষে সবাই গল্প করছে। হঠাৎ
বাংলাদেশীটা বলল,সে একটা ম্যাজিক দেখাবে। ম্যাজিক
দেখতে সবাই তার
চারপাশে এসে ভিড় করে দাড়ালো। তখন
বাংলাদেশীটা একটা সোনার চামচ চাইল
একজনের কাছ থেকে।
সেই বাড়ির মালিকের
ছেলে তাকে একটা সোনার চামচ এনে দিল। বাংলাদেশীটা সেই সোনার চামচটা তার নিজের প্যান্টের
পকেটে ঢুকাল এবং আমেরিকানটাকে ­­ ­ ­­
কাছে ডেকে এনে তার
পকেট থেকে সোনার চামচ বের করল। সবাই খুব জোরে তালি দিয়ে ওঠল....


ছাত্র
এক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসলো-
কিভাবে একটা পিপড়া কে মারতে হয় ?
প্রশ্ন টা ১৫ মার্ক এর ।
এক ছেলে উত্তর লেখছেঃ
প্রথমে চিনির সাথে মরিচের গুড়া মিশায় রেখে দিতে হবে।
... পিপড়া সেটা খেয়েপানি খুজবে চারদিকে ।
পানির
বালতি তে যেয়ে পিপড়াটা পড়ে যাবে,তারপর
সেটা নিজেকে শুকাতে আগুনের কাছে যাবে ,
আগুনের কাছে আগে থেকেই একটা বোমা রাখা লাগবে। বোমা ফুটে পিপড়া আহত
হয়ে হসপিটাল এ যাবে ,তার মুখে অক্সিজেন
মাস্ক দেয়া থাকবে , সেইঅ ক্সিজেন মাস্ক
টা খুলে দিলেই পিপড়াটা মরে যাবে ।




শিক্ষক ছাত্র

শিক্ষকঃ “মনে করো তুমি জঙ্গলে আছ।
ওখানে এক
বাঘ চলে আসলো। তখন
তুমি কি করবে?”
পাপ্পুঃ “ আমি গাছে চড়ব।“
শিক্ষকঃ “যদি বাঘও গাছে চড়ে তখন?”
পাপ্পুঃ “আমি তখন নদীতে নেমে সাঁতার
কাটবো”
শিক্ষকঃ “যদি বাঘও তখন
নদীতে নেমে যায়
তখন??” .
.
.
.
.
. .
.
.
.
.
. .
.
.
পাপ্পুঃ ”ধুরও!!! আপনি কি আমার
সাইডে না বাঘের
সাইডে?? আমাকে মেরেই ছাড়বেন!!





লাল শাড়ি

স্যার:- বলতো মেয়েরা বিয়ের সময় লাল শাড়ি পড়েকেন??
.
.
.
.
.
.

.
.
.
.
.
.
.
বল্টু:- সংসারে ঢুকার আগে এক নম্বর বিপদ সংকেত জানিয়ে দেওয়ার জন্য...



ট্রেন
স্টেশনমাস্টারকে বলছেন একজন বৃদ্ধ,
আচ্ছা ভাই, চট্টগ্রামের ট্রেন কখন
এসে পৌঁছাবে?
স্টেশনমাস্টার: পৌনে একটায়।
বৃদ্ধ: আর নরসিংদীর ট্রেন?
স্টেশনমাস্টার: বেলা দুইটায়। বৃদ্ধ:জামালপুর? স্টেশনমাস্টার: একটু আগেই পৌঁছেছে।
বৃদ্ধ: কুমিল্লা?
স্টেশনমাস্টার: আরে কী মুশকিল,
আপনি যাবেন কোথায়?
বৃদ্ধ: না না! আমি রেললাইনটা পার হয়ে উল্টো দিকের
প্ল্যাটফর্মে যাব। শুধু নিশ্চিত হচ্ছিলাম, হুট করে কোনো ট্রেন
এসে পড়বে কি না!


চায়না ভালবাসা

শিক্ষকঃ বলতো কে “I Love You” আবিষ্কার করছে?
ছাত্রঃ চায়না কম্পানী।
শিক্ষকঃ (অবাক হয়ে) কিভাবে বুজলে বাবা?
ছাত্রঃ এইটার কোনো Guarantee নাই, Quality ও নাই। টিকলে সারাজীবন না টিকলে ২ দিনও যায় না!!!


বল্টু একদিন
বল্টু একদিন
রেষ্টুরেন্টে একটি পেপসির
বোতল সামনে রেখে উদাস
হয়ে বসেছিল ।
একটু পর তার এক বন্ধু তার কাছে এল
এবং পেপসিটা খেয়ে ফেলল.
তারপ
র সে বল্টুকে বলল,
কিরে সালা, এত
উদাস কেন???
...
বল্টু বলল, আজ ভাগ্যটাই খারাপ
রে দোস্ত. সকালে gf এর
সাথে break
up হল ; এরপর রাস্তায়
গাড়িটা নষ্ট
হয়ে যাওয়াতে অফিসে
যেতে দেরী হয় এজন্য বস আমাকে চাকরি থেকে আউট
করে দেয় ; এরপর মনের
দুঃখে আত্মহত্যা করার জন্য
পেপসিতে বিষ মিশালাম
. .
. .
.
তা ও আবার তুই খেয়ে ফেললি!! 





টাকা লুকাতে হবে বই এর মধ্যে
স্ত্রীঃ শোনো, তোমার
মেয়ে এখন অনেকটাকা খরচ
করা শিখে গেছে। ওর
জ্বালায় কোথাও
টাকা লুকিয়ে রাখাও যায়
না।
যেখানেই রাখি খুঁজে বের
করে আর
মোবাইলে সারাদিন ঘুটুর
ঘটুর।
কি করা যায় বলোতো?
.


.
.
.
.
স্বামীঃ এক কাজ
কর,তুমি টাকা গুলো
ওর পড়ার বইয়ের
মধ্যে লুকিয়ে রাখো।
পরীক্ষার আগের দিন
পর্যন্ত নিরাপদ
থাকবে
তারপর আবার
সরিয়ে রাখলেই হবে

P..PP..PPP............




মুরগী
ক্রমাগত লস খাওয়ার পর এক
পোল্ট্রি ব্যবসায়ী একবারক্ষেপেগিয়ে তার সকল
মুরগীদের বললেন,
“আগামীকাল থেকে যদি প্রতিদিন ২টাকরে ডিম
না দিস তাইলে ধরে জবাই করে খেয়ে ফেলব!!”
এরপর থেকে প্রত্যেকটা মুরগীই প্রতিদিন
২টা করে ডিম দিতে লাগলো!! শুধু একটা
বাদে!!
ঐটা প্রতিদিন একটা করেই ডিম পারতে লাগলো!!
ব্যবসায়ী ক্ষেপে গিয়ে বললেন, “কিরে!!তোর
তো সাহস কম না!! এতো বড় হুমকি দিলাম, এরপরও
একটা করে ডিম পারতেসিস !!”
মুরগীঃ-
.
.
.
.
.
.
"জনাব!! আপনার ভয়ে তাও তো বহু
কষ্টে একটা করে ডিম পারতেছি!!
আমি তো আসলে একটা মোরগ!!"



বইসা বইসা খাইতে পারবেন

দোকানি: ভাইসাব, ২০০
টাকা দিয়ে একটা জিনিস নিয়ে যান, সারা জিবন
বইসা বইসা খাইতে পারবেন।
ক্রেতা: ভাই, জিনিসটা কি?
.
. .
.
.
.
.
দোকানি: একটা বসার চেয়ার! 




মানুষ এর বিষ
সাপ তার বিষ নিজ
দাঁতে রাখে ।
কুকুর তার বিষ নিজ
জিহবায় রাখে ।
কাঁকড়াবিছে তার বিষ নিজ
লেজে রাখে ।
মানুষই একমাত্র জাত ,
যে কিনা তার বিষ নিজ
অন্তরে রাখে !!
বিস্ময়কর , কিন্তু সত্য !!!


ফেইসবুক এ BLUE COLOR
ফেইসবুক এ BLUE COLOR
TEXTদিতে চান?
তাহলে আর
দেরী নাকরে নিচের
পোস্টটি ভাল
করে পড়ুন।
সাধারণত ফেইসবুক এ
কোন
কিছুলিখলে তা Black
color font এ দেখা যায়
কিন্তু
আপনি চাইলেএটিকে Blue
collor/link color এ
রূপান্তর করতে পারেন
কিভাবে?
না ভাই ঘাবড়াবার
মতো তেমন কিছু
না খুবই
Simple একটা ট্রিক্স,
আপনি যে Text
টি BLUE COLOR
করতে চান তা @@+[0:[0:9:TEXT HERE]]
লক্ষ্য করুন প্রথম
দুটি @@ এর পর +
সাইনটি রিমুভ
করতে হবে এবং TEXT HERE লেখাটিতে
আপনার লেখা লিখে কমেন্ট করুন।



বাচ্চা তাঁর মাকে জিগ্যেস
বাচ্চা তাঁর মাকে জিগ্যেস
করলোঃআম্মাআমি কিভাবে হইছিলাম??
মাঃআমি একটা পাতিলে মাটি ভরে রেখে দিছিলাম
কিছুদিন পর
ওইখানে তোমারে পাইছি!
বাচ্চা এমন ই
করলো কিছুদিন পর
গিয়ে দেখল তাঁর
রাখা মাটির
পাতিলে একটা ব্যাঙ
বসে আছে
বাচ্চাঃ( রাগ হয়ে)
মনে তো চাইতাছে তোরে গুলি কইরা দেই
কিন্তু কি করমু তুই যে আমার
পুলা.......




তোমার ক্যারিয়ার হল
তোমার ক্যারিয়ার হল
আলোর মত
আর
মেয়েরা হল ছায়ার মত
তুমি যদি ছায়ার
পিছনে হাটো
তাহলে আলোকে মিস
করবে
কিন্তু
তুমি যদি আলোর
দিকে হাটো
তাহলে
ছায়া তোমাকে অনুসরন
করবে........



একটা লোক লোন
নিয়ে একটা কার
কিনেছিল। পরে লোন শোধ
করতে না পারায় ব্যাংক
থেকে লোক
এসে তার কারটা নিয়ে গেল
একদিন।
লোকটা মনে মনে ভাবলো:
হায় হায়,
আগে যদি জানতাম!
তাহলে বিয়ে করার সময়ও
ব্যংক
থেকে লোন নিতাম!




এক তরুণী মেয়ে দোকানে গেল
একটা কথা বলা টিয়ে পাখি কিনতে।
দোকানদার একটা পাখির খুব
প্রশংসা করল, এটা নাকি সব বুঝে ,
নিজে থেকেই অনেক কিছু শিখে নেয়!
মেয়েটা খুশি হয়ে পাখিটাকে গিয়ে জিজ্ঞেস
করলঃ
"আচ্ছা আমাকে দেখে আমার
সম্পর্কে কি মনে হয় তোমার?"
পাখিটা ঠাস
করে বলে বসলঃ "বেশী সুবিধারনা,
বাজে মাইয়া!"
মেয়েতো পুরাই টাশকি খেয়ে গেল!
রেগেমেগে দোকানদারকে গিয়ে অভিযোগ
করল!
দোকানদার পাখিটাকে ধরে এক
বালতি পানিতে কয়েকটা চুবানি দিল,
এরপর জিজ্ঞেস করলঃ "আর খারাপ
কথা বলবি?"
পাখিটা ভালো মানুষের(!) মত
মাথা নাড়ায় চাড়ায় বললোঃ "নানা , আর
বলব না"
মেয়েটা খুশি হয়ে আবার
পাখিটাকে জিজ্ঞেস
করেলোঃ "আচ্ছা আমি যদি রাতেঘরেএকজন
পুরুষ নিয়ে ঢুকি , তুমি কি মনে করবে?"
পাখিটি বললোঃ "তোমার স্বামী"
মেয়েটি বললোঃ "যদি দুজনকে নিয়ে ঢুকি?"
পাখিটি বললোঃ "তোমার স্বামী আর
দেবর!"
মেয়েটি বললোঃ "যদি তিনজনকে নিয়েঢুকি?"
পাখিটি বললোঃ "তোমার স্বামী ,
দেবর আর ভাই ।"
মেয়েটি বললোঃ "যদি চারজনকে নিয়েঢুকি?"
পাখিটা দোকানদারকে চেঁচিয়েডাকলঃ "ঐ
মিয়া বালতি নিয়া আও !!
আগেই কইছিলাম এই মাইয়া সুবিধার
না , বাজে মাইয়া!" :




হাঁড় কিপটে লোকের ঘরে মেহমান
এক হাঁড় কিপটে লোকের ঘরে মেহমান এল,
কিপটেঃ কি খাবেন?? ঠান্ডা না গরম??
মেহমানঃ ঠান্ডা
কিপটেঃ পেপসি নাকি রুহ আফজা??
মেহমানঃ পেপসি
কিপটেঃ গ্লাসে খাবেন নাকি বোতলে??
মেহমানঃ গ্লাসে
কিপটেঃ নরমাল গ্লাসে না ডিজাইন
ওয়ালা গ্লাসে??

মেহমানঃ ডিজাইন ওয়ালা গ্লাসে
কিপটেঃ কি ডিজাইন ফুলের নাকি ফলের??
মেহমানঃ ফুলের ডিজাইন
কিপটেঃ কি ফুল গোলাপ না বেলি?
মেহমানঃ গোলাপ ফুলওয়ালা
কিপটেঃ বড় বড় গোলাপ
ফুলওয়ালা নাকি ছোট ছোট গোলাপওয়ালা?
মেহমানঃ ছোট ছোট
.
.
.
.
.
.
কিপটেঃ সরি আপনাকে তাহলে আমি আর পেপসি খাওয়াতে পারলাম না! কারন আমার ঘরে ছোট ছোট গোলাপের ডিজাইন
ওয়ালা কোন গ্লাস নেই!
বাড়িতে আসার জন্য ধন্যবাদ!
আবার আসবেন!! 



গাড়ী

পুলিশ সার্জেন্টঃ আপনাদের গাড়ির কোনো হেডলাইট নেই, দুই পাশের আয়না ভাঙা, হর্ন নেই, জানালার কাচ ভাঙা, ব্যাকলাইট নষ্ট, ব্রেক ধরে না, আপনারা কেউই সিটবেল্ট বাঁধেননি, তার পরও এত জোরে গাড়ি চালাচ্ছেন... বিষয়টা কী?
.
.
.
.
.
.
.
.
.
ড্রাইভারঃ স্যার, আমার কোনো দোষ নেই, সব দোষ এই ব্যাটার।
ওরে আমি আগেই কইছিলাম, এই
ভাঙাচোরা গাড়ি চুরি করার
কোনো দরকার নেই!!





কে জ্ঞানী?

আইনস্টাইন এর প্রতিটি সেমিনারে-ই পিছনে বসে লেকচার 
শুনতে শুনতে তার ড্রাইভার একবার তাকে বলেই বসলো,
আপনি তো সব জায়গায় একি লেকচার বারবার দেন, তারপর
ও লোকজন আপনার লেকচার যে কেন শুনে? আমি আপনার
লেকচার এতোবার শুনেছি যে এখন চাইলে আমি ই আপনার
লেকচার দিতে পারি।

এর পরবর্তী সেমিনারে আইনস্টাইন তার ড্রাইভারের সাথে
পোষাক পরিবর্তন করে সেমিনার এর পিছনে ...বসে রইলেন
আর তার ড্রাইভার লেকচার দিতে শুরু করলো। অত্যন্ত নিখুত
ও সাবলীল ভাবে লেকচার শেষ করার পর প্রশ্ন উত্তর পর্বে এক
দর্শক এমন এক প্রশ্ন করে বসলো যার উত্তর ড্রাইভারের জানা নাই।

ড্রাইভারের তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া "আপনি খুব-ই সহজ একটা
প্রশ্ন করেছেন, আপনার প্রশ্নটা এতোই সহজ যে আমি নিশ্চিত
সেমিনারের পিছনে বসে থাকা আমার ড্রাইভার-ও এই প্রশ্নের
উত্তর দিতে পারবে"।


পাগল

একদিন একটি বিমান
মানসিক অসুস্থ (পাগল) দের
বহন করে চিকিৎসার জন্য
একদেশ
থেকে অন্যদেশে নিয়ে যাচ্ছিলো।
পুরো বিমানটিতে পাগলগুলো চিৎকার
করে শব্দ-দূষণ
করছিলো এবং এতে পাইলট
এর প্লেন চালাতে খুবই
অসুবিধা হচ্ছিলো।
হঠাৎ করে একটি পাগল
কিভাবে যেন পাইলট এর
কেবিনে ঢুঁকে পড়লো।
পাগলটি পাইলটকে বলল,
পাগলঃ ভাই
তুমি কিভাবে প্লেন চালাও
আমারে একডু শিখায় দাও ।
আমি কালকেই একডা প্লেন
কিন্না নিজে চালায়া লং ড্রাইভে যামু।
পাইলটঃ আচ্ছা ঠিক আছে,
কিন্তু একটা শর্ত আছে।
পাগলঃ কি শর্ত?
পাইলটঃ আপনি যদি আপনার
বন্ধুদের শান্তকরে এই
প্লেনে হওয়া শব্দ-দূষণ বন্ধ
করতে পারেন। আমার প্লেন
চালাতে অনেক
সমস্যা হচ্ছে।
পাগলঃ আচ্ছা ঠিক আছে।
[১০ মিনিট পরে প্লেন একদম
শান্ত!!]
পাগল এসে পাইলটকে বলল,
পাগলঃ হ্যা ভাই, এখন
শিখান।
পাইলটঃ Wow!! খুবই
চমৎকার :)আপনি কিভাবে উনাদের
শান্ত করলেন?








পাগলঃ আমি গিয়া প্লেন এর
দরজা খুইল্লা সবাইরে কইলাম”
কেও এখানে শব্দ কইরো না,
যাও সবাই
বাহিরে গিয়া খেলোগা”

No comments: